Uncategorized

বিবেকের মুখোশ

জীবন অন্তরালে টেনে নিয়ে যায়,
আলোর মুখোমুখি হওয়ার জন্য।

বিবেকরা মাটির তলায় কবর সেজে থাকতে চায়,
একদিন অপরাধ বোধের বটবৃক্ষ হয়ে জন্মাবে বলে।

মানুষ মুখের উপরে থাকা মুখোশটা সময় মতো খুলে দাঁত বেরকরা রূপটা দেখাতে চায়,
‘সভ্য সমাজ’-এই শব্দের প্রারম্ভে একটা ‘অ’-অক্ষর যুক্ত করবে বলে।

Advertisements
Uncategorized

অলীক সুখটা

মাঝে মধ্যে ছোট গল্পের মতো অলীক সুখ গুলোর সামনে, হঠাৎ, ঝপ করে, যবনিকা পতন হয়…
ছোট্ট, প্রিয়, স্বপ্নের মতো, অলীক সুখটা অতীতের খাতায় নাম লিখিয়ে ফেলে…
শব্দ-জ্ঞানহীন হওয়ার ঝাপটায়, মাঝে মধ্যে দোলা লাগে যবনিকার শরীরে।
ছোট্ট, স্বপ্নের মতো, অলীক সুখটা আজ বৃদ্ধ হয়েছে,
হওয়ার দোলায়, যবনিকার আড়াল থেকে মলিন,বৃদ্ধ কটা আঙ্গুল হাতছানি দেয় বারেবারে..
হাতছানি দেওয়ার সাথে সাথে পথিক থমকে দাঁড়াতে চায়।
তবু সময়, শিকলের মতো পায়ে জড়িয়ে থাকে।
বৃদ্ধ সুখটা,
প্রিয় বটে,
তাইতো বেঁচে থাকবে আজীবনকাল,
হৃদয়ে হুল ফোটানো, হৃদয় বিদারক ইতিহাস হয়ে।

Uncategorized

বন্ধুত্ব দিবস

Happy friendship day
জানাই সেই সব চরিত্র গুলোকেও,
যারা, নিজেরা বইয়ের পাতায় লুকিয়ে থেকে, আমায় জীবনের অদ্ভুত-অদ্ভুত পরিস্থিতি গুলো কাটানোর সময় গুলোতে অনুপ্রেরণা দিয়ে বন্ধুত্বের ধর্ম পালন করে… তাদের কাছে এবং তাদের সৃষ্টিকর্তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ ☺

Uncategorized

মেঘেদের ইচ্ছে

বৃষ্টির বুঝি ধর্ম নেই!
বারবার দেখেছি পরিত্যক্ত মন্দির আর বসে যাওয়া মসজিদের উপর একসাথে ঝরে পড়তে।
আসলে, বৃষ্টি পরিত্যক্ততা পছন্দ করে না।
তাইতো কেবলই, সবুজ-লোভী দেওয়াল গুলোর ইটের ফাঁকে-ফাঁকে গুঁজে দেয়, সবুজ বট-পিপুলের গুচ্ছ-গুচ্ছ চারা আর ছড়ানো মূল গুলোকে, যারা আবার স্বার্থপরের মতো বসে থাকে এক টুকরো রোদ আর হারিয়ে যাওয়া সূর্যটার অপেক্ষায়।
এতো গল্পের পাশাপাশি মেঘেদের হাঁক-ডাক একেবারেই নেই… কারণ… তারা তো চুপচাপ হারিয়ে যাওয়া সূর্যটাকে জাপটে ধরে বসে আছে আকাশের গায়ে, আর গলে যেতে-যেতে,
বারবার প্রার্থনা করছে,
‘পরজন্মে যাতে বৃষ্টি হয়ে জন্মাই।’

Uncategorized

যন্ত্র-মানব

ধুলো পড়া তাক গুলোতে ধুলো খেলায় মেতে থাকে রবিঠাকুর, সুনীল বাবু, সত্যজিৎ বাবুদের অসীম জ্ঞানের ভান্ডার। স্বামীজির বই গুলো বিবেক বুকে আঁকড়ে ধরে শোকেসের কাচের মধ্যে দিয়ে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে, গায়ে বসন্ত লাগা দুর্বলচিত্তের কোনো কিশোর-কিশোরীর দিকে। স্মার্ট ফোনের ওভার-স্মার্টনেসের কাছে, এই কালে বারবার হারতে হয় নতুন বই গুলোর হৃদয়ে থাকা ঐ সুগন্ধটাকে।দ্রুত আঙুলে টাইপ করা চঞ্চল শব্দের শর্টফর্ম গুলো বইয়ে থাকা স্থবির, জ্ঞানী, প্রবীণ শব্দগুচ্ছের দিকে তাকিয়ে বারবার ঔদ্ধত্যের হাসি হেসে চলে যায়!

Uncategorized

সুখ-দুঃখের আবর্তন

সুখ গুলো সব হওয়ায় ভাসে …হওয়ায়-হওয়ায় হারিয়ে যায় বারবার। সেই আলেয়ার পিছু নিয়েই চলে যাই দূরে কোনো অরণ্যে। যে অরণ্যে ‘সুখ’ নামের আলেয়া, গহন অরণ্যে দুখের দাবানল লাগিয়ে দিয়ে নিজে নিভে যায়।
বহুসময় পর কোনো এক শুভক্ষণে হয়তো বা অরণ্যের ধ্বংসস্তূপ থেকে এক চিলতে সবুজ আশাবৃক্ষ দেখা দেয়।
আবার অরণ্যের গভীরতা বাড়ে, আবার তৈরী হয় আলেয়া, আবার দাবানলের শিখা গাছেদের জীবনচক্রের ছন্দপতন ঘটায় ……এই ভাবেই চলে যায় চিরজীবনকাল…

Uncategorized

আলোর মানুষ

জীবনে কিছু কিছু সূর্যের মতো মানুষ থাকেন।
যাঁরা অন্য মানুষের জীবনে সূর্যের মতো উদিত হন,

এবং অন্য মানুষগুলোর জীবনের চিরঅন্ধকারে ডুবে যাওয়া এঁদো গলি গুলোকে আলোয়-আলোয় ভরিয়ে দিয়ে রাজপথে পরিবর্তিত করেন।